ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য সচিব সাজ্জাদুল মিরাজের ১৮ বছর বয়সী ছেলে মিনহাজুল ইসলাম রোজান অসুস্থ হয়ে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।
রাজধানীর এভারকেয়ার হসপিটালে আইসিইউতে তাকে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানান, রোজানের অবস্থা সংকটাপন্ন। ছেলের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ।
নির্ঝর বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থী রোজান এইচএসসি পরীক্ষার শেষ সময়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং অবস্থার অবনতি হলে আইসিইউতে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়।
পরিবার জানায়, রোজানের রক্তে শর্করা, কিডনি, হৃদ্যন্ত্র, সোডিয়াম, রক্তচাপ, হিমোগ্লোবিন ও ফুসফুসসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিয়েছে। চিকিৎসকদের একটি বোর্ড তার চিকিৎসা দিচ্ছে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রোজান অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর ক্লাস ক্যাপ্টেন ছিলেন এবং বিএনসিসির ক্যাপ্টেন হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া ও বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজন করছেন।
বাবা সাজ্জাদুল মিরাজ বলেন, "আমার রোজানকে ছোটকাল থেকেই সবাই আদর করে কোলেপিঠে করে অনেক নেতাকর্মী ঘুরেফিরে বেড়িয়েছেন।" রোজান কেবল আমার সন্তান নন, বরং নেতাকর্মীদের চোখের সামনে বড় হওয়া এক পরিচিত ও আদরের মুখ। বেদনার গভীরতা এবং ক্ষমতার নির্মম পরিহাস। এই বক্তব্যের পেছনের অন্তর্নিহিত বেদনাটি অত্যন্ত তীব্র। একজন পিতা হিসেবে নিজের সন্তানের জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে নেতাকর্মীদের ভালোবাসার মূল্যায়ন এটা আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।
রাজনীতিতে মানুষ অনেক সময় পদ-পদবি ও স্লোগানের পেছনে ছুটে, কিন্তু চরম সংকটের মুহূর্তে একমাত্র মানুষের ভালোবাসাই সান্ত্বনা হয়ে দাঁড়ায়।
সন্তান যখন আইসিইউতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে, তখন অনুধাবন হয় যে— ক্ষমতা বা বৈভব নয়, সাধারণ মানুষের এই অন্তরের দোয়া ও আকুতিই জীবনের আসল অর্জন।
রাজনীতি ও মানবীয় সম্পর্কের এক জীবন্ত দলিল। এটি একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের অন্ধ ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার চিত্র ফুটিয়ে তোলে, অন্যদিকে তেমনি একজন মানুষের ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডির মধ্য দিয়ে জীবনের প্রকৃত সত্যকে উপলব্ধি করার বেদনাদায়ক মুহূর্তকে সামনে নিয়ে আসে।
আমার ছেলে মিনহাজুল ইসলাম রোজান ১৮ বছর বয়স। কন্টিনিউস জীম করে সে, এবং BNCC কেপ্টেনও...... রোজান গত ৫ বছর ধরে পালন করছিলেন। তার মতো একজন মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল ও পরিশ্রমী তরুণের এমন আকস্মিক অসুস্থতা আমি বাবা হয়ে গ্রহন করা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। তবে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে আমার বুকে ফিরে আসবে—এটাই আমার একান্ত কামনা।
মহান আল্লাহ তায়ালা দরবারে সবাই আমার ছেলের জন্য দোয়া করবেন।