রাজধানীর মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম—যেমন ‘প্রথম আলো’ ও ‘দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এ খবর প্রকাশ করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার করা হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ ছাত্রনেতা আওলাদ হোসেনকে। শাহ আলী থানা ছাত্রদলের জনপ্রিয় নেতা ও ৮ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য সচিব আওলাদ হোসেনকে অপপ্রচার ও মিথ্যা তথ্যের মাধ্যমে ভিত্তিহীনভাবে ফাঁসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে উঠেছে।
আওলাদ হোসেনের অভিযোগ, সাজ্জাদুল মিরাজ নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বলয়ে থেকে রাজনীতি না করার কারণেই তাকে সংবাদমাধ্যমে এমন অপপ্রচারের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। তিনি জানান, একই ধরনের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন ৯৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য সচিব আসিফ সিকদারও। আসিফকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত ও আশ্রয়-প্রশ্রয় দেন এই সাজ্জাদুল মিরাজ। এমনকি আসিফ শিকদারের পরিবার ও সন্তানের দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তীতে মিরাজ তাদের কোনো খোঁজখবর নেননি।
আওলাদ হোসেন আরও জানান, সাজ্জাদুল মিরাজের রাজনৈতিক কৌশল বেশ জটিল ও হুমকিস্বরূপ। নতুন কোনো কর্মী তার দলে যোগ দিতে এলে সাবেক নেতাদের গোপন তথ্য ও অপরাধের রেকর্ড সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া, তার কোনো অনুসারী অন্য কোনো নেতার সঙ্গে ছবি তুললে তাকে গালিগালাজ ও নানাভাবে হেনস্তা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, মিরাজের অনুসারীদের বড় একটি অংশ সরাসরি মাদক কারবারের সাথে জড়িত। গুদারাঘাট এলাকার কুখ্যাত মাদক ডিলার 'পিচ্চি মনির' নিয়মিত মিরাজের কার্যালয়ে অবস্থান করেন এবং মিরপুরের বিভিন্ন এলাকার মাদকের বকেয়া টাকার বড় একটি অংশ মিরাজের কাছে পৌঁছায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর রাতারাতি কোটিপতি বনে যান সাজ্জাদুল মিরাজ। বর্তমানে তিনি বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে চলাফেরা করেন এবং মিরপুরের কথিত এনসিপি নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজিতে সরাসরি শেল্টার দেন।
তারই আশীর্বাদে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতার বোন ফারিয়া হ্যাপি, যিনি নিজেকে এনসিপি নেত্রী হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। ফারিয়া হ্যাপি এবং তার ভাই, ৯৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সাজু, তুরাগ বেরিবাঁধে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে রেস্টুরেন্ট পরিচালনা করছেন বলে স্থানীয় লোকমুখে জানা গেছে।
আওলাদ হোসেন বলেন দেশবাসীর কাছে আকুল আবেদন আমি কিংবা আমার কোন সহকর্মী এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকে, আমাকে গ্রেফতার করা হোক? ঘটনা সাথে জড়িত না থাকলে আমার সম্মান কি ফিরিয়ে দেওয়া হবে?
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র সম্মানিত চেয়ারম্যান এর কাছে এই বিচারের দাবি জানাচ্ছি।
দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’-এ ৯৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র যুগ্ম আহবায়ক কাজী ইলিয়াস আলী ছবি ও নাম প্রকাশ করা হয়েছে, কাজী ইলিয়াস বলেন আমার সাথে প্রতিহিংসা কেন,আমি তো কোন এমপির অনুসারী নই, রাড্ডার ঘটনায় রাতে আমি আমার এলাকায় অবস্থান করি, সিসিটিভি ফুটেজ আছে, চাইলে দেখানো যাবে, আমার সাথে এমন অন্যায় মেনে নিবো কিভাবে।
ইলিয়াস আলী বলে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অন্যায় কারীদের গ্রেফতার করুক, বিভিন্ন নিউজে আমার নাম ছবি ব্যবহার করতে মিথ্যা তথ্য দেওয়া সাজ্জাদুল মিরাজ এর বিচার চাই।