October 26, 2026, 4:15 am
শিরোনাম:
‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎ পদত্যাগ চেয়েছি, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঃ ইশরাক হোসেন, এমপি মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনা: মাহ্দী আমিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু: ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ শুরু মিরপুরে সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণকারী ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার: উদ্ধার অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা গোয়েন্দা তালিকায় ঢাকার প্রধান ৫৪৫ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নির্দেশ, মামলায় সংশয় পুলিশের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করলো রিয়াদ দূতাবাস সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের মোহাম্মদ আলী নিরব আন্দোলন সংগ্রাম, দলের আনুগত্য ও রাজনৈতিক পথচলা: আলোচনায় বিএনপি নেতা মামুন হাসান

মিরপুর-১ লেগুনা স্ট্যান্ডে পাল্টাপাল্টি চাঁদাবাজির অভিযোগ, মালিক সমিতির নেতা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর মিরপুর-১ লেগুনা স্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে কথিত মালিক সমিতির নামে চাঁদাবাজি, চালকদের হয়রানি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে ইয়াকুব আলী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং নিরপরাধ ব্যক্তিদের জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।

সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা বলেন, মিরপুর-১ লেগুনা স্ট্যান্ডের প্রকৃত মালিক, চালক ও শ্রমিকদের একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের চাপ ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে তাঁদের অভিযোগ। তাঁদের দাবি, ইয়াকুব আলী বিএনপির নাম ব্যবহার করে সাধারণ চালকদের ওপর প্রভাব বিস্তার এবং তাঁদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের চেষ্টা করছেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্রের সত্যতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার নিয়েও প্রশ্ন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ইয়াকুব আলীর অতীত কর্মকাণ্ড ও সাংবাদিক পরিচয় ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁদের দাবি, অতীতে তিনি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন স্থানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন এবং বড় ক্যামেরা বহন করে নিজেকে টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দিতেন। তবে তিনি কোন গণমাধ্যমে কাজ করতেন, তাঁর পরিচয়পত্রের বৈধতা কী এবং সংশ্লিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পর্ক ছিল কি না,এসব বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নথি বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য পাওয়া গেলে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হবে।
বক্তাদের অভিযোগ, সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে তিনি একসময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এ কাজে ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর পরিচয়পত্র ও ভিজিটিং কার্ড ব্যবহারের অভিযোগও তোলেন তাঁরা।

তাঁদের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মাসে এক থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ের সুযোগ ছিল। তবে কথিত আয়ের পরিমাণ, অর্থ সংগ্রহের পদ্ধতি এবং এর সঙ্গে ইয়াকুব আলীর সংশ্লিষ্টতার পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাইযোগ্য তথ্য সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপন করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।রাজনৈতিক পরিচয় বদলে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ,ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেন ইয়াকুব আলী। তাঁদের দাবি, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করতেন এবং বর্তমানে বিএনপির নাম ব্যবহার করে একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।তবে রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কোনো অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ প্রমাণের জন্য নির্দিষ্ট ঘটনা,

প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং প্রাসঙ্গিক নথিপত্র যাচাই করা জরুরি। সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দল বা স্থানীয় নেতাদের বক্তব্যও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।প্রতিবাদ করলেই হুমকি ও মামলার ভয় দেখানোর অভিযোগ,সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, স্ট্যান্ডের অর্থ আদায় বা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কেউ আপত্তি জানালে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় এবং মিথ্যা মামলায় জড়ানোর ভয় দেখানো হয়। তাঁদের ভাষ্য, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণ চালক ও শ্রমিকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয়েছে এবং তাঁরা স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে বাধার মুখে পড়ছেন।ভুক্তভোগীদের দাবি, লেগুনা স্ট্যান্ডের প্রকৃত মালিকানা, মালিক সমিতির বৈধতা, অর্থ সংগ্রহের অনুমোদন এবং চালকদের কাছ থেকে নেওয়া টাকার হিসাব খতিয়ে দেখা হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। কোনো সমিতির নামে অর্থ সংগ্রহ করা হলে তার সাংগঠনিক অনুমোদন, রসিদ, হিসাবপত্র ও অর্থের ব্যবহারও যাচাই করা প্রয়োজন।

মিথ্যা,সংবাদ,সম্মেলনের অভিযোগ, তদন্তের দাবি,ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা প্রশ্ন ও অভিযোগ আড়াল করতে নিরপরাধ ব্যক্তিদের জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এ কারণে তাঁরা পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। তবে কোন সংবাদ সম্মেলনে কাদের বিরুদ্ধে কী বক্তব্য দেওয়া হয়েছিল, সংশ্লিষ্ট বক্তব্যের ভিডিও, লিখিত বিবৃতি ও অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করে বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।বক্তারা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা উচিত। ব্যক্তিগত বিরোধ বা স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে কাউকে হয়রানি করা হলে সেটিও তদন্তের আওতায় আনতে হবে।

প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চান ভুক্তভোগীরা,সংবাদ সম্মেলন থেকে মিরপুর-১ লেগুনা স্ট্যান্ডের সামগ্রিক পরিস্থিতি তদন্ত, কথিত মালিক সমিতির বৈধতা যাচাই, অর্থ আদায়ের অভিযোগ অনুসন্ধান এবং চালকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।তাঁরা ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্ত করে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করা এবং প্রকৃত মালিক ও শ্রমিকদের স্বাভাবিকভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।এ বিষয়ে ইয়াকুব আলীর বক্তব্য, তাঁর কথিত মালিক সমিতির বৈধতার কাগজপত্র এবং সংশ্লিষ্ট থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা রয়েছে কি না—তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাঁর বক্তব্য পাওয়া গেলে এবং যাচাইযোগ্য নথিপত্র হাতে এলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা হবে।

প্রতিবেদনের পরবর্তী অনুসন্ধানে গুরুত্বপূর্ণ: স্ট্যান্ডে প্রতিদিন বা মাসে কত টাকা আদায় করা হয়, কারা অর্থ সংগ্রহ করেন, অর্থ দেওয়ার রসিদ রয়েছে কি না, সমিতির নিবন্ধন ও কমিটির অনুমোদন আছে কি না এবং অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা রয়েছে কি না,এসব তথ্য যাচাই করা গেলে ঘটনার প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে



‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎

‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎