October 26, 2026, 2:45 am
শিরোনাম:
‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎ পদত্যাগ চেয়েছি, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঃ ইশরাক হোসেন, এমপি মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনা: মাহ্দী আমিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু: ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ শুরু মিরপুরে সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণকারী ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার: উদ্ধার অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা গোয়েন্দা তালিকায় ঢাকার প্রধান ৫৪৫ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নির্দেশ, মামলায় সংশয় পুলিশের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করলো রিয়াদ দূতাবাস সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের মোহাম্মদ আলী নিরব আন্দোলন সংগ্রাম, দলের আনুগত্য ও রাজনৈতিক পথচলা: আলোচনায় বিএনপি নেতা মামুন হাসান

এক দফার ঘোষণার আগে নাছিরের মাধ্যমে তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়

প্রতিদিন মিরপুর

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের দাবি করেছেন, এক দফা ঘোষণার আগে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নেতা নাছির উদ্দীন নাছিরের মাধ্যমে বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল।

সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজে ‘ঐতিহাসিক এক দফার নেপথ্যের ইতিহাস’ শিরোনামে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি আন্দোলনের ওই সময়ের বিভিন্ন ঘটনার বর্ণনা দেন। পোস্টে আব্দুল কাদের জানান, এক দফার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন। এর অংশ হিসেবে ছাত্রদলের রাকিব ও নাছিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

আব্দুল কাদেরের ভাষ্য অনুযায়ী, নাছির উদ্দীনকে এক দফার বিষয়টি জানানো হলে তিনি বলেন, “তাহলে এই ব্যাপারটা আমি চেয়ারম্যান স্যারের (তারেক রহমান) সঙ্গে আলাপ করে নিই।”

পরে রাতের দিকে নাছির উদ্দীন তাকে জানান, “এক দফা দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেটা চেয়ারম্যান স্যারও জানিয়েছেন। তোমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারো” – এমন দাবি করেন আব্দুল কাদের।

তিনি আরও বলেন, ‘‘এক দফা ঘোষণার বিষয়ে ছাত্রদল ও শিবিরের প্রতিনিধিরা নিজ নিজ দলের সঙ্গে আলোচনা করে ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছিলেন। এরপর ঘোষণাপত্র প্রস্তুত ও তা নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া হয়।’’

আব্দুল কাদের তার পোস্টে দাবি করেন, ওই সময় মাঠের পরিস্থিতি, চলমান সহিংসতা এবং সম্ভাব্য প্রাণহানির বিষয় বিবেচনায় তিনি দ্রুত এক দফার ঘোষণার পক্ষে ছিলেন। এক দফা ঘোষণার আগে সমন্বয়কদের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য ছিল। তবে তার লক্ষ্য ছিল আন্দোলনের পরিস্থিতি বিবেচনায় দ্রুত একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছানো।

পোস্টে আব্দুল কাদের আরও দাবি করেন, এক দফা ঘোষণার বিষয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও রাজনৈতিক পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হলেও কোনো নির্দিষ্ট পক্ষের চাপ বা নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

তবে আব্দুল কাদেরের এই বক্তব্য তার নিজের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া দাবি। এ বিষয়ে ছাত্রদল নেতা নাছির, তারেক রহমান বা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এই প্রতিবেদনের সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।



‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎

‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎