October 24, 2026, 10:05 pm
শিরোনাম:
‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎ পদত্যাগ চেয়েছি, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঃ ইশরাক হোসেন, এমপি মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনা: মাহ্দী আমিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু: ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ শুরু মিরপুরে সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণকারী ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার: উদ্ধার অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা গোয়েন্দা তালিকায় ঢাকার প্রধান ৫৪৫ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নির্দেশ, মামলায় সংশয় পুলিশের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করলো রিয়াদ দূতাবাস সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের মোহাম্মদ আলী নিরব আন্দোলন সংগ্রাম, দলের আনুগত্য ও রাজনৈতিক পথচলা: আলোচনায় বিএনপি নেতা মামুন হাসান

সাবেক ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সম্পাদক থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, আলোচনায় এখন শীর্ষ পদ—নগর বিএনপিতে নতুন চমক ক্লিন ইমেজ?

স্টাফ রিপোর্টার

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। দলটির অভিভাবকত্ব ও নেতৃত্ব পুনর্গঠনে আলোচনায় উঠে এসেছে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, পরীক্ষিত ও রাজপথের পরীক্ষিত মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু-র নাম। বিগত দিনের ত্যাগ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি (ক্লিন ইমেজ) এবং দক্ষ রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে তিনি এখন কেন্দ্র ও তৃণমূলের জোরালো আলোচনায় রয়েছেন।

​জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি অবিচল এই নেতার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি। শিক্ষাজীবনে তিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (অনার্স) এবং পরবর্তীতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি (এলএল.বি) অর্জন করেন। পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের সংমিশ্রণে একজন সুশিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর, ঢাকায় বসবাস করে আসছেন।

​মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন ত্যাগী নেতা। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

​ছাত্র রাজনীতির সময়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

​
​স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে তাকে বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ২১৭ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। তিনি রাজনৈতিক মামলায় মোট ৫ বার কারাবরণ করেন এবং তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তাকে ৫ বছরের সাজা প্রদান করা হয়।

​মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, কঠিন সময়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে এবং রাজপথে সঠিক নেতৃত্ব দিতে মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুর বিকল্প নেই। একজন শিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির অভিভাবক পদে তাকেই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করছেন তৃনমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে। দলটির অভিভাবকত্ব ও নেতৃত্ব পুনর্গঠনে আলোচনায় উঠে এসেছে বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, পরীক্ষিত ও রাজপথের পরীক্ষিত মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু-র নাম। বিগত দিনের ত্যাগ, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি (ক্লিন ইমেজ) এবং দক্ষ রাজনৈতিক দূরদর্শিতার কারণে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি পদে তিনি এখন কেন্দ্র ও তৃণমূলের জোরালো আলোচনায় রয়েছেন।

​জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি অবিচল এই নেতার জন্ম ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি। শিক্ষাজীবনে তিনি ঐতিহ্যবাহী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ (অনার্স) এবং পরবর্তীতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি (এলএল.বি) অর্জন করেন। পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের সংমিশ্রণে একজন সুশিক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি রূপনগর আবাসিক এলাকা, মিরপুর, ঢাকায় বসবাস করে আসছেন।

​মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জু জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন ত্যাগী নেতা। বর্তমানে তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

​ছাত্র রাজনীতির সময়ে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হিসেবে জনগণের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

​
​স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে তাকে বারবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়েছে। রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকার কারণে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ২১৭ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। তিনি রাজনৈতিক মামলায় মোট ৫ বার কারাবরণ করেন এবং তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তাকে ৫ বছরের সাজা প্রদান করা হয়।

​মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, কঠিন সময়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে এবং রাজপথে সঠিক নেতৃত্ব দিতে মুন্সি বজলুল বাসিত আঞ্জুর বিকল্প নেই। একজন শিক্ষিত, অভিজ্ঞ ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির অভিভাবক পদে তাকেই সবচেয়ে যোগ্য বলে মনে করছেন তৃনমূলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা।



‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎

‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎