October 28, 2026, 5:25 am
শিরোনাম:
‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎ পদত্যাগ চেয়েছি, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঃ ইশরাক হোসেন, এমপি মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনা: মাহ্দী আমিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু: ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ শুরু মিরপুরে সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণকারী ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার: উদ্ধার অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা গোয়েন্দা তালিকায় ঢাকার প্রধান ৫৪৫ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নির্দেশ, মামলায় সংশয় পুলিশের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করলো রিয়াদ দূতাবাস সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের মোহাম্মদ আলী নিরব আন্দোলন সংগ্রাম, দলের আনুগত্য ও রাজনৈতিক পথচলা: আলোচনায় বিএনপি নেতা মামুন হাসান

মোরেলগঞ্জে ১৬ নং খাউলিয়া ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর আয়োজনে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা

মোঃ ফিরোজ আহমেদ-মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) থেকে:

ন্যায়, ইনসাফ ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয় নিশ্চিত করার জন্য বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ–শরণখোলা) আসনের ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও জেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. আব্দুল আলীম।

একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের জন্য সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

শুক্রবার (৬ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নের এস পি রশিদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আশপাশের গ্রাম থেকে দলে দলে মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্ল্যাকার্ড হাতে জনসভায় যোগ দেন। সভার এলাকায় পরিণত হয় জনসমুদ্রে। পুরো এলাকায় এক উৎসব উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয় নির্বাচনী মিছিল ও সমাবেশে।

নেতৃত্বে আস্থা, জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে খাউলিয়া ইউনিয়ন
জামায়াত ইসলামীর আমির হাফেজ ওয়াদুদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামের মোরেলগঞ্জ উপজেলা আমির মাওলানা শাহাদাৎ হোসাইন, বাগেরহাট ৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর দাডিপাল্লা প্রতিকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক হাফেজ সুলতান আহম্মেদ,
জামায়েত ইসামী উপজেলা সাবেক আমির অধ্যাপক ছবির আহমেদ, উপজেলা নায়েবে আমির মাস্টার মনিরুজ্জামান মনির, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মাকসুদ আলী খান, পেশাজীবী সংগঠনের সভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মান্নান খান, কাজী খিলাফতে ইসলামী মজলিসের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ তালুকদার, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি শফিউল আযম, নেতা নাইম শিকদারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খাউলিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি শহিদুল ইসলাম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল আলিম বলেন,
“উপকূলের মানুষ আর অবহেলার শিকার হবে না”

“দীর্ঘদিন ধরে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলার মানুষ অবহেলা, বৈষম্য ও অনিয়মের শিকার। ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করলে এই জনপদের মানুষ প্রথমবারের মতো ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক সেবা পাবে।”

তিনি আরও বলেন,
“আমরা কথা দিয়ে কথা রাখার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। সুপেয় পানির স্থায়ী সংকট সমাধান, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদীভাঙন ও জলাবদ্ধতা নিরসন এবং দুর্যোগপ্রবণ উপকূলবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে আমাদের প্রথম কাজ।”

দুর্নীতি ও দখলবাজির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান
অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন,
“লুটপাট, ঘের দখল, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দলীয় দখলবাজির রাজনীতি থেকে মানুষ মুক্তি চায়। আমরা সেই মুক্তির রাজনীতিই করতে চাই। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকার রক্ষাই জামায়াত ইসলামীর রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও বলেন,
“বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আপনাদের সমর্থন চাই। ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।”
নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা
নিজের নির্বাচনী ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো তুলে ধরে অধ্যক্ষ আব্দুল আলীম বলেন, নির্বাচিত হলে—
শরণখোলা থেকে ঘষিয়াখালী পর্যন্ত স্থায়ী ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, সুন্দরবনকেন্দ্রিক পরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব পর্যটন শিল্প গড়ে তোলা
পানগুছি নদীতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ
বেকার যুবকদের জন্য কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি
শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা
ব্যতিক্রমী ঘোষণা
জনসভায় তিনি আরও ঘোষণা দেন, নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি গাড়ি শুল্কমূল্যে গ্রহণ করবেন না। সাধারণ মানুষের করের টাকায় বিলাসী জীবন নয়—এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতেই এ সিদ্ধান্ত বলে জানান তিনি। পাশাপাশি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় আপসহীন থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন।
জনসভা শেষে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ‘দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিন’, ‘ন্যায়ের পক্ষে ভোট দিন’—এমন স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।



‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎