September 9, 2026, 8:40 pm
শিরোনাম:
রাজধানী মিরপুরে রেস্টুরেন্টের আড়ালে কেবিন বাণিজ্য, সন্ধ্যা নামলেই চলে যুগলদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কাউন্সিলর পদে লড়বেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ সভাপতি শাকিল খান: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রস্তুতি বেনসন-স্টার-ডার্বির নকল মোড়ক, মিরপুরে কারখানায় অভিযান দারুসসালামে ছাত্রদলের ৯, ১০ ও আঞ্চলিক ১২ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন: আহ্বায়ক দিপু ও সদস্য সচিব নাঈমের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থানরত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী লেলিন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ পদে আলোচনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিস্টি এমপি ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনোনীত হলেন উদীয়মান ছাত্রনেতা রাহাত ইসলাম স্বাধীন দারুস সালাম থানা অধীনস্থ আঞ্চলিক ১২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের ৩৫ সদস্যের কমিটি গঠন: আহ্বায়ক সুমন, সদস্য সচিব শিহাবুল রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৮, সর্বাধিক মিরপুরে মিরপুরে অটোরিকশায় জিম্মি কিশোর উদ্ধার, ছিনতাইকারী আটক

রাজনীতির বাতাস বদলাতেই রঙ বদল: বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সক্রিয় নেতারা এখন ছাত্রদলে!

স্টাফ রিপোর্টার

গত ৫ই আগস্ট দেশে রাজনীতির পটপরিবর্তনের পর থেকেই মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। তবে সেই পরিবর্তনের হাওয়ায় নিজেদের আদর্শ ও দল রাতারাতি বদলে ফেলার এক নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের একদল সক্রিয় নেতা। এতদিন যারা ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিংয়ে সামনের সারিতে ছিলেন, তাদেরই এখন দেখা যাচ্ছে ছাত্রদলের ব্যানার ও কর্মসূচিতে!

আজ মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল হোসেন তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক বিস্ফোরক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। তাঁর পোস্টে তিনি সাবেক এই ছাত্রলীগ নেতাদের বর্তমান ছাত্রদলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ছবি শেয়ার করেন, যা মুহূর্তের মধ্যেই ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

ছাত্রলীগ থেকে ছাত্রদলে রুপান্তর হওয়া নেতারা হলেন:
সুজন মাহমুদ: সরকারি বাঙলা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগ (সেশন: ২০১৯-২০২০)
রাফাত: মার্কেটিং বিভাগ (সেশন: ২০১৯-২০২০)
সাগর: সেশন: ২০১৯-২০২০
জানা গেছে, এরা সকলেই এতদিন বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় ছিলেন এবং বিভিন্ন সুবিধা গ্রহণ করেছেন। তবে ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই তারা দ্রুত নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করেন এবং বর্তমান বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে যান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাবেক ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদকের এই পোস্টের পর বাঙলা কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও নানা ধরনের গুঞ্জন দেখা দিয়েছে।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই ধরণের সুবিধাবাদী রাজনীতিকে “রং বদলানোর রাজনীতি” হিসেবে আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অন্যদিকে, বাঙলা কলেজ ছাত্রদলের একাংশের নেতাকর্মীরা বিষয়টিকে ভালোভাবে মেনে নিতে পারছেন না। ত্যাগে থাকা পুরনো ছাত্রদল কর্মীদের পাশ কাটিয়ে ছাত্রলীগের সুবিধাবাদীদের দলে ভেড়ানো নিয়ে তাদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও চাপা অসন্তোষ বিরাজ করছে।

রাজনীতিতে এমন রাতারাতি অবস্থান পরিবর্তনকে ‘সুবিধাবাদী চর্চা’ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা, যা কলেজের রাজনীতিতে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।