October 28, 2026, 6:04 am
শিরোনাম:
‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎ পদত্যাগ চেয়েছি, মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীঃ ইশরাক হোসেন, এমপি মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাককে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে বিশেষ পরিকল্পনা: মাহ্দী আমিন মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু: ৩৩৮ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ শুরু মিরপুরে সাংবাদিকের বাসায় হামলা ও গুলিবর্ষণকারী ‘ফোর স্টার’ গ্রুপের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার: উদ্ধার অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবা গোয়েন্দা তালিকায় ঢাকার প্রধান ৫৪৫ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের নির্দেশ, মামলায় সংশয় পুলিশের মধ্যপ্রাচ্যে চলমান পরিস্থিতিতে সৌদি প্রবাসীদের জন্য জরুরি সতর্কতা জারি করলো রিয়াদ দূতাবাস সরকারি বাঙলা কলেজে উপবৃত্তি আবেদনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছাত্রদলের মোহাম্মদ আলী নিরব আন্দোলন সংগ্রাম, দলের আনুগত্য ও রাজনৈতিক পথচলা: আলোচনায় বিএনপি নেতা মামুন হাসান

দুই ভাইয়ের সিন্ডিকেট, ভেজাল চালে রশিদ মিনিকেটের মনোগ্রাম!  রশিদ মিনিকেট চালের মনোগ্রাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ভেজাল চাল

স্টাফ রিপোর্টার

রশিদ মিনিকেট চালের মনোগ্রাম ব্যবহার করে বিভিন্ন ভেজাল চাল ঢুকিয়ে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে রাজধানী কল্যাণপুরের নতুন বাজারে অবস্থিত বিক্রমপুর রাইস এজেন্সি ও ৬০ ফিট পাকা মসজিদে অবস্থিত বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির বিরুদ্ধে।

বাজারের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য রশিদ মিনিকেট চালের মনোগ্রাম ব্যবহার করে, দীর্ঘদিন ধরে ভেজাল চাল বিক্রির অভিযোগ রয়েছে দুই ভাইয়ের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। যার মাধ্যমে ভোক্তার কাছ থেকে বস্তা প্রতি চার থেকে পাঁচশ বা তারও অধিক টাকা হাতিয়ে নেওয়ার হয়।

আর এই প্রতারণা করে বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির মালিক রুবেল মাদবর ও বিক্রমপুর রাইস এজেন্সির মালিক রফিকুল ইসলাম রুয়েল প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে এই চালের প্রতারণার সিন্ডিকেটের সাথে স্বয়ং জড়িত রশিদ মিনিকেট চালের এসআর শহিদুল ও ম্যানেজার। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আয়ের একটা অংশ পায় তারা, যার কারণে বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ রয়েছে শহিদুল ও ম্যানেজারের বিরুদ্ধে।

প্রতিবেদকের হাতে আসা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, রশিদ মিনিকেট চালের বস্তার মনোগ্রাম ব্যবহার করে BRP চালসহ অন্যান্য সস্তা চাল বস্তায় ভরা হচ্ছে। আর এই চালের বস্তা ডুপ্লিকেট এর সময় স্বয়ং উপস্থিত রয়েছেন মালিক রফিকুল ইসলাম রুয়েল।অভিযোগ রয়েছে মালিকদের নির্দেশেই এই দুই নম্বর চালের কার্যক্রম করতেন দোকানের কর্মচারীরা।

এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় দোকানটির পূর্বের ম্যানেজার মোহাম্মদ হাসান ও মোহাম্মদ আবির কে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দোকান থেকে বের করে দেওয়া হয়। শুধু বের করে দেওয়া না, তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে ভয়ভীতি দেখিয়ে মিথ্যা জবানবন্দীও নেওয়া হয়।

এই ঘটনায় মোহাম্মদ হাসান মিরপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।

এ ধরনের সিন্ডিকেটকে মিথ্যা বলে দাবি করেন বিসমিল্লাহ রাইস এজেন্সির মালিক দুই ভাই, তবে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানো হলে, দায় আগের ম্যানেজারদের উপর চাপানোর চেষ্টা করেন।

সিন্ডিকেটটি গোপন লেনদেনের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ-ইমামগঞ্জের বিভিন্ন ফ্যাক্টরি থেকে সাদৃশ্য বস্তা উৎপাদন করে প্রতারণা করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ব্যাপারে রশিদ মিনিকেট চাল কর্তৃপক্ষকের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের কোন সারা পাওয়া যায়নি।

এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন দুই ভাই, ঢাকাতে রয়েছে ফ্ল্যাট, দুইটা প্রাইভেট কার ও দুটি মোটরসাইকেল। এছাড়াও নামে-বেনাম ব্যাপক সম্পত্তি অর্জন করেছেন তারা। এবং দুদকে ফাঁকি দেওয়ার জন্য ব্যাংক লোনেরও আশ্রয় নিয়েছেন।

তাদের এই সিন্ডিকেটের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হতবাক ক্রেতারাও। তারা বলেন, অবিলম্বে ভোক্তা অধিদপ্তরের নজরে আনা উচিত এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।



‎রংপুরে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামির নেতার মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের অভিযোগে এক কিশোরকে গাছে বেঁধে রাতভর নিষ্ঠুর নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি নামাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক।এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে উপজেলা জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ‎ ‎প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়—টুকুরিয়া ইউনিয়নের সুজারকুঠি গ্রামের বাসিন্দা আতাউর মাস্টার স্থানীয় টুকুরিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহসভাপতি। তার মেয়ে স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। একই বিদ্যালয়ের একই শ্রেণিতে পড়ুয়া দুদিয়াবাড়ী গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাজিদের সঙ্গে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ করেন আতাউর মাস্টার ও তার স্বজনরা। সন্দেহের ওপর ভিত্তি করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কিশোর সাজিদকে ধরে নিয়ে যান ঐ জামায়াত নেতা ও তার লোকজন। এরপর সাজিদকে একটি গাছে রশি দিয়ে হাত বেঁধে লাঠি ও প্লাস্টিকের পাইপ দিয়ে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। এক পর্যায়ে কিশোরটি জ্ঞান হারিয়ে ফেললে জামায়াত নেতার স্বজন ও পরিবারের কয়েক জন নারী সদস্য তাকে মারধর করেন। খবর পেয়ে সাজিদের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেন আতাউর মাস্টার ও তার সহযোগীরা। পর দিন ভোরে স্বজন ও এলাকাবাসীকে ডেকে এনে সাজিদকে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ‎ ‎নির্যাতনের শিকার সাজিদ হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে জানায়, মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে সারা রাত গাছে হাত বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। ‎ ‎ ‎এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আতাউর মাস্টার বলেন, ‘ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতিসহ আমরা পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করেছি।’ মারধরের বিষয়ে তিনি দাবি করেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে।’ তবে পীরগঞ্জের টুকুরিয়া ইউনিয়নের জামায়াতের সভাপতি রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ‘আমি বিষয়টি জানতে পেরে রাতে সেখানে গিয়েছিলাম। পরে অসুস্থ বোধ করায় চলে আসি।’ ‎ ‎ ‎নির্যাতিত সাজিদের স্বজনরা জানান, জামায়াত নেতা স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় পুরো ঘটনাটি চেপে যাওয়ার জন্য তাদের অনবরত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভয়ের কারণে কেউ প্রকাশ্যে নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। ‎ ‎রংপুরের পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমুল হক জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ‎ ‎