September 10, 2026, 9:17 pm
শিরোনাম:
রাজধানী মিরপুরে রেস্টুরেন্টের আড়ালে কেবিন বাণিজ্য, সন্ধ্যা নামলেই চলে যুগলদের অনৈতিক কর্মকাণ্ড কাউন্সিলর পদে লড়বেন ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের সহ সভাপতি শাকিল খান: ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রস্তুতি বেনসন-স্টার-ডার্বির নকল মোড়ক, মিরপুরে কারখানায় অভিযান দারুসসালামে ছাত্রদলের ৯, ১০ ও আঞ্চলিক ১২ নং ওয়ার্ডের কমিটি গঠন: আহ্বায়ক দিপু ও সদস্য সচিব নাঈমের নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল ৮ নং ওয়ার্ডে অবস্থানরত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সম্মাননা ও সংবর্ধনা দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী লেলিন। ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির শীর্ষ পদে আলোচনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিস্টি এমপি ৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনোনীত হলেন উদীয়মান ছাত্রনেতা রাহাত ইসলাম স্বাধীন দারুস সালাম থানা অধীনস্থ আঞ্চলিক ১২ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের ৩৫ সদস্যের কমিটি গঠন: আহ্বায়ক সুমন, সদস্য সচিব শিহাবুল রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৮, সর্বাধিক মিরপুরে মিরপুরে অটোরিকশায় জিম্মি কিশোর উদ্ধার, ছিনতাইকারী আটক

ড. ইউনূসকে সঙ্গে নিয়ে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন। আজ বুধবার সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে জাদুঘরের তিনি উদ্বোধন করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ উদ্বোধন করা হলেও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে প্রবেশে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে বলেও জানান উপদেষ্টা।

বর্তমান বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে অভ্যুত্থানের এবারের বর্ষপূর্তির মধ্যেই জাদুঘরটি উদ্বোধন করা হবে বলে অঙ্গীকার করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাস্তায় নেমে এসেছিল ছাত্র-জনতা। বিপুল গণরোষের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট দুপুরের দিকে ক্ষমতা ছেড়ে দেশত্যাগ করেন। এরপর ক্ষুব্ধ জনতার স্রোত ঢুকে পড়ে শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত গণভবনে। তাদের ক্ষোভের জেরে এত দিন কঠোর নিরাপত্তায় সুরক্ষিত থাকা ভবনটির সীমানাপ্রাচীর ও ভেতরের অনেক কিছু ধ্বংস হয়। উত্তেজিত জনতার একাংশ ভবনটি থেকে কিছু সামগ্রী নিয়েও যায়। এসব জিনিসপত্রের কিছু কর্তৃপক্ষ পরে উদ্ধার করে। আবার অনেকে স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে দিয়ে যান।

জানা গেছে, জাদুঘরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে সংঘটিত গুম ও নির্যাতনের বিবরণ, ভুক্তভোগীদের স্মৃতি ও স্মারক, জুলাই শহীদদের ব্যবহৃত সামগ্রী, গণভবনে পাওয়া নথিপত্র, ঐতিহাসিক স্মারক ও শিল্পকর্ম থাকবে। এ ছাড়া আছে তিন দিকে সম্প্রসারিত লেক, ফুডকোর্ট, প্রার্থনাকক্ষ, প্রক্ষালনকক্ষ, স্যুভেনিরের দোকান, ২২টি সেল নিয়ে তৈরি প্রতীকী আয়নাঘরের কাঠামো।