দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় রাজধানীর দারুস-সালাম থানা বিএনপির আহ্বায়ক এস এ সিদ্দিক সাজুকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার হয়েছিলো।
১৪ জানুয়ারি ২০২৬ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাজুকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের তথ্য জানানো হয়েছিলো।
বিএনপি’র ক্লান্তি লগ্নে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, পদযাত্রা ও শোডাউনে সৈয়দ আবু বক্কর সিদ্দিক সাজু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় এবং পিতার রাজনৈতিক প্রভাব ও পরিচয়ের সুবাদে মিরপুর এলাকায় তাঁর নিজস্ব কর্মী-সমর্থক ও শক্ত অবস্থান হয়।
তাঁর পিতা মরহুম আলহাজ এস. এ. খালেক বৃহত্তর মিরপুর এলাকার প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। তিনি মিরপুর আসন থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য ও অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।এলাকায় সাজুর রাজনৈতিক কার্যক্রম প্রধানত ঢাকা-১৪ আসনভুক্ত মিরপুর, শাহ আলী ও দারুস সালাম থানা এবং সাভারে কাউন্দিয়া ও বনগাঁও ইউনিয়ন এলাকায় কেন্দ্রীভূত ছিল।
ঢাকা ১৪ আসনে তৃণমূল বিএনপিতে দীর্ঘদিন দ্বন্দ্ব ঝিমিয়ে পড়া রাজনীতি থেকে বের করতে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপির নেতা কর্মীগণ।
সাজুর রাজনীতি ফেরা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে।
১৫ আগস্ট ২০২৬ প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮১ তম জন্মবার্ষিকীতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী নিয়ে টিএন্ডটি মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সমাবেশে আসেন এস এ সিদ্দিক সাজু।
এস এ সিদ্দিক সাজুকে প্রধানমন্ত্রীর প্রোগ্রামের অতিথিদের সাথেই বসতে দেখা যায়। এ সময় স্থানীয় নেতা কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সাজুর কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে।